গান: ঘুমিয়ে পড়ো মনোলোভা

তোমার বুকের কম্পন শুনি
কোনো জোড়া নদীর স্পন্দন
এখনো ভোর ছয়ের অধিক বাজে নি


আমার মৃত্যুটা কীভাবে হবে আপনাকে বলি।

পুকুর বা দিঘীর জলে। ভেলায়। মাদকতাময় জোছনা অথবা বোবা রোদ্দুরে। আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসতে চাইবে, অথচ আমি জোর করে জেগে থাকবো। মস্তিষ্কের ভেতরে সমস্ত স্মৃতি রঙের ট্রেন হয়ে তীব্র বেগে ছুটতে থাকবে। এবং সে থাকবে। অথবা মা, যদি মা আবার আসে। আমি ঘন নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে পৃথিবীকে অবজ্ঞা করে চলে যাবো।


১৩.৭ বিলিয়ন বছর আগে। অথচ সময় নেই! আলো ও অন্ধকার যুগপৎ। 

শুরু হয়ে গেছে মহাবিস্ফোরণ। ১*১০^-৯৯.৯৯ সেকেন্ড। এর আগে যাওয়ার সাধ্য নেই আমার। বিবর্তন ও আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার সমস্ত সূত্র ভেঙে পড়বে। আমি-ও ছাই হয়ে যাবো। যদি যাওয়া যেতো...যদি! ঈশ্বরকে কবজা করে ফেলতাম। 


জুনের এই রৌদ্রদিনে কী এক অদ্ভুত আসক্তি
সারা শরীরে অধিক গরম নিয়ে-ও দীর্ঘ তিন

স্বাতী এসে জানালার পর্দা সরিয়ে দেয়। বাইরে দুটি চাঁদ ঝুলে আছে। আমরা এখন ঈশ্বর-ঈশ্বরী।

এদের তিনটি পা। পা-ও কি না ঠিক বলতে পারছি না। বুকের কাছটা থেকে একটি শুঁড়ের মতো আছে। মাথার পেছনে শিংঅলা পেঁচার মতো নিখুঁত চোখ। আমরা এসে স্বভাবসুলভ পর্যবেক্ষণে নেমেছিলাম, ওরা আগন্তুক পছন্দ করে না বলে ঝগড়া হলো। আমরা মেরেছি। ওরা আমাদের দেবতা কিংবা ঈশ্বর হিসেবে মেনে নিয়েছে।