০
বিজ্ঞানী রোনোর চাপীয় সূত্রটা হলো এরকম: স্থির আয়তনে কোন নিদিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ শূন্য হতে প্রতি ডিগ্রী তাপমাত্রা পরিবতনের জন্য শূন্য ডিগ্রী চাপের একটি নিদিষ্ট ভগ্নাংশ 1/273 অংশ পরিবতিত হয় ।
আবার চালসের সূত্র মতে স্থির চাপে যদি শূন্য ডিগ্রী তাপমাত্রায় নিদিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন Vo এবং 12 ( মনে করুন ) ডিগ্রী তাপমাত্রায় তার আয়তন V হয়, তবে
V = Vo + ( 1 + 12/273 )
এখন - 273 C তাপমাত্রায় নিদিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন হবে,
V -273 = Vo ( 1 - 273/273 )
= 0
মানে, স্থির চাপে গ্যাসকে ঠাণ্ডা করে তাপমাত্রা
- 273 C করলে আয়তন শুন্য হবে। তাপমাত্রা আরও কমালে গ্যাসের আয়তন ঋণাত্বক হবে, যা অসম্ভব। সুতারাং শুধু পৃথিবীতে নয়, মহাবিশ্বের কোথাও - 273 C এর নিচে তাপমাত্রা হবে না, এবং তা অসম্ভব।
আমি যখন সূত্রগুলো প্রথম পড়ি তখন চিন্তা খেলেছিল মাথায়, দোজখে-ও এর নিচে তাপমাত্রা হবে না। এরকম ভাবা খানিকটা নাস্তিকতায় বটে। তবে এটা তাত্ত্বিকভাবে সত্য। যদি - 273 C ডিগ্রী তাপমাত্রার নিচে তাপমাত্রা হয় তবে বলা যায় ঈশ্বর বিজ্ঞান মানেন না।
১
হতে পারে আমরা সম্পূর্ণ ঈশ্বরের (আমি সংশয়বাদী) বিমূর্তকল্পনা (perception)। মনে করুন, ঈশ্বর মস্তিস্কের নিউরনে কল্পনা করছেন (আমরা যেমন কতকিছু কল্পনা করি- যেমন- আমি কিউবার সমুদ্রসৈকতে!)। সেক্ষেত্রে, আমাদের যন্ত্রণাটুকু-ও ঈশ্বর অনুভব করছেন!
এখানে আমরা বলতে পারি আমরা সময়কুয়ার ব্যাঙ। সেই ক্ষুদ্রবিন্দু (বিগব্যাং) পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত আমরা আবদ্ধ। নয় কি? আমরা ভবিষ্যৎ কল্পনা বা ভবিষ্যৎবাণী করতে পারি, কিন্তু সত্যতা নিরূপণ করতে পারি না। কারণ, আলো নেই। ভবিষ্যৎ থেকে আলো আসে না (হয়তো মাত্রা বিষয়ক আলোচনা আসতে পারে)। আলোই হল মৌলিক জ্ঞানচাবি।





No comments:
Post a Comment