এসো খড়ে সুঁই খুঁজি

Custom Search

Thursday, December 29, 2011

গান: ঘুমিয়ে পড়ো মনোলোভা


গান: ঘুমিয়ে পড়ো মনোলোভা

তোমার বুকের কম্পন শুনি
কোনো জোড়া নদীর স্পন্দন
এখনো ভোর ছয়ের অধিক বাজে নি

Wednesday, August 24, 2011

জন্মপাপ


আমার মৃত্যুটা কীভাবে হবে আপনাকে বলি।

পুকুর বা দিঘীর জলে। ভেলায়। মাদকতাময় জোছনা অথবা বোবা রোদ্দুরে। আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসতে চাইবে, অথচ আমি জোর করে জেগে থাকবো। মস্তিষ্কের ভেতরে সমস্ত স্মৃতি রঙের ট্রেন হয়ে তীব্র বেগে ছুটতে থাকবে। এবং সে থাকবে। অথবা মা, যদি মা আবার আসে। আমি ঘন নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে পৃথিবীকে অবজ্ঞা করে চলে যাবো।

Tuesday, August 23, 2011

ভালোবাসা


১৩.৭ বিলিয়ন বছর আগে। অথচ সময় নেই! আলো ও অন্ধকার যুগপৎ। 

শুরু হয়ে গেছে মহাবিস্ফোরণ। ১*১০^-৯৯.৯৯ সেকেন্ড। এর আগে যাওয়ার সাধ্য নেই আমার। বিবর্তন ও আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার সমস্ত সূত্র ভেঙে পড়বে। আমি-ও ছাই হয়ে যাবো। যদি যাওয়া যেতো...যদি! ঈশ্বরকে কবজা করে ফেলতাম। 

Monday, August 22, 2011

চায়নাটাউন


জুনের এই রৌদ্রদিনে কী এক অদ্ভুত আসক্তি
সারা শরীরে অধিক গরম নিয়ে-ও দীর্ঘ তিন

Friday, August 19, 2011

ভ্রমণ

স্বাতী এসে জানালার পর্দা সরিয়ে দেয়। বাইরে দুটি চাঁদ ঝুলে আছে। আমরা এখন ঈশ্বর-ঈশ্বরী।

এদের তিনটি পা। পা-ও কি না ঠিক বলতে পারছি না। বুকের কাছটা থেকে একটি শুঁড়ের মতো আছে। মাথার পেছনে শিংঅলা পেঁচার মতো নিখুঁত চোখ। আমরা এসে স্বভাবসুলভ পর্যবেক্ষণে নেমেছিলাম, ওরা আগন্তুক পছন্দ করে না বলে ঝগড়া হলো। আমরা মেরেছি। ওরা আমাদের দেবতা কিংবা ঈশ্বর হিসেবে মেনে নিয়েছে।

Wednesday, August 17, 2011

মন্ট্রিয়াল আন্তর্জাতিক জ্যাজ উৎসব: অনন্ত সংগীতসুধার ছোঁয়া


যখন আমরা ছেলেমানুষী বেঁচে ছিলাম দিগন্ত রঙ মেখে
চুম্বক আর অলৌকিকতার পৃথিবীতে রোদের গ্রাফিতি এঁকে
আমাদের চেতনা সারাক্ষণ উদ্দেশ্যহীন ও সীমানাহারা
বিচ্ছেদের ঘন্টা বাজতে শুরু করেছিলো মন কেমন করা
জীর্ণ কোনো পথে হেঁটে যেতাম কেউ তাকাতো শিউলি ফুলের চাহনি
আমরা যতো তারা গুনেছি কেউ ততোবার আকাশে চেয়ে-ও দেখে নি
ধোঁয়া গল্প কোলাহলে কতো বিকেল আমরা ক্ষয় করেছি দুহাতে
এখন পরষ্পরের স্মৃতি আমাদের ক্ষয় করে নিজেদের অজান্তে

ঘাস ছিলো সবুজে মাখামাখি
উজ্জ্বল আলোর কিছু জোনাকি
বন্ধুরা ছিলো চারিদিক ঘিরে
বিস্ময়ের রাত্রি ঘুরেফিরে

ইদানিং আবারো ডুবে আছি পিঙ্ক প্লয়েডে। মূলত High Hopes গানটিতে। উপরের লাইনগুলো গানটি থেকে অনুপ্রেরণায় লেখা। কেবলি স্মৃতিকাতুরে করে তুলছে। এর-ও আগের সপ্তাহসমূহে ডুবে ছিলাম জ্যাজ সংগীতে। মূলত জ্যাজ সিন্দাবাদের ভূতের মতো আবার মাথায় ভর করেছে জ্যাজ ফেস্টিভালের পর থেকে। মন্ট্রিয়াল আন্তর্জাতিক জ্যাজ উৎসব। মন্ট্রিয়াল ইন্টারন্যাশনাল জ্যাজ ফেস্টিভাল (Festival International de Jazz de Montréal)।

Friday, August 12, 2011

বাবা

বাবার কোনো স্মৃতি নেই আমার। ছোট্ট বাচ্চাদের খেলনা রোবট কিংবা বহুমুখী ট্যাবলেট থাকে, আমার সেইসব-ও ছিলো না, আমি বড় হয়েছি কেবল সংখ্যার শূন্যতার ভেতরে, শ্রোডিঙ্গারের বেড়ালের অস্তিত্ব-অনস্তিত্বকে সঙ্গী করে! মা আমাকে খুব সূক্ষ্মভাবে পরিচালিত করে বড় করেছে, আমি এখন ভেবে ভেবে বের করতে পারি।

Thursday, August 4, 2011

বাঙলাদেশ ভ্রমণ ২০১১ - ১ - গ্রামের বাড়ি



ঢাকা একটি অভিশপ্ত নগর। জনতা আমাকে কখনোই টানে নি। নাগরিকগণ টেনেছে। ঢাকার অধিকাংশ লোকই জনতার অংশ, নাগরিক নয়। এবং এটিই ঢাকার অভিশপ্ততার কারণ। এই নগরীর মানুষ চে'কে ফাঁকি দিয়ে বিপ্লব না করলে-ও এই নগরীর ব্যাঙাচির মতো যত্রতত্র গড়ে ওঠা দালানেরা একদিন ভীষণ বিপ্লব করে উঠবে, এবং রণে ভঙ্গ দিবে। আমি টের পাই। ধুলোজীবন কী জিনিস এই নগরে না আসলে টের পাওয়া যায় না।

Wednesday, August 3, 2011

বিটলসের (The Beatles) প্লিজ প্লিজ মি (Please please me) গানটির অনুবাদ


ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হঠাৎ নক নক। সে এসে ধুম করে বললো বিটলসের (The Beatles)
প্লিজ প্লিজ মি (Please please me) গানটি অনুবাদ করে দিতে। কী আর করা। ঘুম মেরে শুরু করলাম। কিন্তু ঘুম বড্ড তালবাহানা শুরু করলো। আলস্যের কারণে গিয়ে কফি করবো এমন জোর-ও পাচ্ছিলাম না। শেষে বোতলজাত সবুজ চা টানতে টানতে রূপান্তরে মন দিলাম।

Thursday, July 14, 2011

District 9


চিত্র ১:
১৭৬৯। হাইতি। এখানে মাটির রঙ আলকাতরা-কালো, তারচে' বেশি কালো এই ফসলি জমির শ্রমিকদের গায়ের রঙ। ওরা ৪৪ জন। একটানা কাজ করছে সেই উষা থেকে, যখন সূর্যের-ও চোখ খুলে নি, আর এখন সূর্যের ঘুমিয়ে পড়ার সময়। পাক্কা ১২ ঘণ্টা। শ্বাপদের মতো সর্তক চোখে তাকিয়ে আছে শ্বেতাঙ্গ মনিব। কাজে একটু এদিক ওদিক হলে চাবুকের বাড়ি, গরম শিকের ছ্যাঁকা। ওরা কাজ করে যায়, মাঝে মাঝে হাঁপিয়ে উঠলে উঁকিঝুঁকি মারে আশপাশে, দ্রুত লয়ে কথা বলে। ওরা কাজ করে যায়। নিয়তি। মানুষের অপমান। ঈশ্বরের নিস্পৃহতা। ওরা কাজ করে যায়। মার খায়। মরে যায়। বংশানুক্রমিক। হয়তো দিনের শেষে এক টুকরো রুটি ও জল মিলবে, ভাগ্য ভালো হলে মাংশ লেগে থাকা হাড়, সবজি-ভাজা। আর নিশাচর পাখির মতন থেকে থেকে ভেঙে যাওয়া ঘুম।

Saturday, July 2, 2011

গান: সকল বিস্ময় রয়েছে জমা

[Poets of the Fall এর Lift গানটি থেকে অনুপ্রাণিত বা ছায়াবলম্বনে]


কখনো কখনো আমার না বলা কথাগুলো
মৃত প্রজাপতির মতো অক্ষম পড়ে রবে
ভয় জেগে ওঠে ভয় জেগে ওঠে অকারণ
যেনো যা-ই বলবো ঢের কৃত্রিম শোনাবে

Thursday, June 30, 2011

এই দূরত্ব, আমাদের এই দূরত্ব

ঠিক এই মুহুর্তে আমাদের মধ্যকার দূরত্ব অনেকটাই ছয় ফিট। গেলো কয়েক বছর ধরে আমাদের মধ্যে যে দূরত্ব তার তুলনায় এই ছয়-ফিট দূরত্ব ঢের কম, তবুও এই দূরত্ব ঠাণ্ডা, আর্দ্রময় পার্থিব।
তোমাকে মিস করি আমি।

বয়ঃসন্ধি


তার-ও আছে শরৎচিঠি ফড়িংরঙ খুব
রাতের অনুষদে
নক্ষত্রের ভবঘুরে আলো হয়ে ওঠে অতি-বেগুনি

Friday, June 24, 2011

দুটি গান

গান: নবজন্ম নিচ্ছে জীবনের স্বাতী

মেঘের ডানা সঙ্গী আজ তারার ঘুড়ি
তোমার জানালা কেনো খোলা
চাঁদ নিভে গেলে-ও প্রভার ছড়াছড়ি
গ্রীল ধরে ভাবছো তুমি একলা
মাতাল রাত মহুয়ার প্রতিকৃতি
তোমার চোখে
নবজন্ম নিচ্ছে জীবনের স্বাতী

Thursday, June 16, 2011

ব্যবধান


সে আসে নি তো আকাশভাঙা বৃষ্টিবেলায়
আসবে হয়তো কোনো খামোখা ভাবনায়
বাড়বে সে বৃক্ষের সবুজ অধিকারে
চন্দ্রগ্রহণে-ও সে ঘুমচোরা জোছনা নিয়ে
আমার উঠোনে নিশ্চিত খেলা করে
প্রেমে অন্ধ হয়ে আমার নিশাচরী পাখির রৌদ্রতৃষ্ণা
বসন্তস্মৃতি সব ফিরে যাওয়া মানুষের মতো কুয়াশা

Friday, June 3, 2011

বিপন্ন অস্থিরতা

আমার ভালোলাগে না এই বিপন্ন অস্থিরতা
আমার ভালোলাগে না এই বহুরূপী ভোরে গার্মেন্টস কর্মীদের কর্মমিছিল,
যে নারী দুধের শিশুকে খাবার না দিয়ে হাওয়ায় ধরেছে বাসের হাতল...

Thursday, May 26, 2011

রৌদ্রস্নানের মানবিক দৃশ্যপট


আমাদের সূর্য এখন প্রায় মাঝবয়েসী নারীর মতন, মনিকা বেলুচ্চির মতন সূর্য আমাদের এই প্রপঞ্চ শীতে আন্তরিক রোদ নিয়ে আসে, আমরা সেই রোদের পানে

Tuesday, May 24, 2011

অনুবাদ: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিঙের The Grand Design - ৫

পঞ্চম অধ্যায়: সার্বিক তত্ত্ব (The Theory Of Everything)

মহাবিশ্ব সম্পর্কে সবচেয়ে অবোধগম্য বিষয় হচ্ছে যে মহাবিশ্ব আসলে বোধগম্য
আলবার্ট আইনস্টাইন

মহাবিশ্ব বোধগম্য কারণ এটি কিছু বৈজ্ঞানিক নিয়মাবলি দ্বারা পরিচালিত হয়; অর্থাৎ, এর আচরণের প্রতিরূপ তৈরি করা যাবে কিন্তু সেই প্রতিরূপ কিংবা নিয়মাবলিই বা কী কী? মহাকর্ষই সর্বপ্রথম বল যেটিকে গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছিলো ১৬৮৭ সালে প্রকাশিত নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র মতে, মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু অন্য প্রতিটি বস্তুকে নিজ ভরের সমানুপাতিক বলে আকর্ষণ করে সূত্রটি সেই সময়ের বোদ্ধামহলে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছিলো, কারণ এটি প্রথমবারের মতো নির্দেশ করে যে মহাবিশ্বের অন্তত একটি বিষয়কে নির্ভুলভাবে নিরূপণ করা সম্ভব এবং সেটি করার জন্য সূত্রটি গাণিতিক কলাকৌশল বাতলেছিলো সুনির্দিষ্ট কিছু প্রাকৃতিক নিয়মাবলি বিদ্যমান- এই ধারণা প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে গ্যালিলিওর ধর্মীয় মতবাদের বিরুদ্ধাচরণ করার বিতর্ককে আবার জিইয়ে তোলে যেমন, বাইবেলে জশুয়ার প্রার্থনার গল্পে বর্ণিত আছে যে সে প্রার্থনা করেছে যেনো সূর্য ও চাঁদ নিজ গতিপথে থেমে যায়, ফলে সে কেনানের এমোরাইটদের সাথে লড়াই শেষ করার জন্য বাড়তি দিনের আলো পাবে জশুয়ার পুস্তক মতে, প্রার্থনার কারণে সূর্য প্রায় একদিন স্থির হয়ে ছিলো এখন আমরা জানি যে এর ফলে পৃথিবীর ঘূর্ণন থেমে যাওয়ার কথা পৃথিবী যদি থেমেও যায়, তবে নিউটনের সূত্র অনুযায়ী বন্ধনমুক্ত সবকিছু পৃথিবীর আগের বেগে (বিষুবরেখা সংলগ্নে ঘন্টায় ১,১০০ মাইল বেগে) ছুটতে থাকার (এবং ছিটকে বের হয়ে আাসার) কথা, ফলে বিরাট মাশুল গুণতে হতো বটে এইসব কিছু অবশ্য নিউটনকে দুশ্চিন্তায় ফেলে নি, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন যে ঈশ্বর ইচ্ছে করলে মহাবিশ্বের কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করতে পারেন, এবং করেছিলেন-ও বটে

Sunday, May 22, 2011

অনুবাদ: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিঙের The Grand Design - ৪

চতুর্থ অধ্যায়: বিকল্প ইতিহাসসমূহ (Alternative Histories)

১৯৯৯ সালে অস্ট্রিয়ায় পদার্থবিজ্ঞানিদের একটি দল ফুটবল-আকৃতির কতকগুলো অণুকে একটি প্রতিবন্ধক লক্ষ্য করে বর্ষণ করেন। ওই অণুগুলোর প্রতিটি ষাটটি কার্বন পরমাণু দিয়ে গঠিত, এবং বাকিবল (Buckyball) নামে পরিচিত, কারণ স্থপতি বাকমিন্সটার ফুলার এই আকৃতির নানা ভবন নির্মাণ করেছিলেন। খুব সম্ভবত ফুলারের জিওডেসিক গম্বুজগুলোই ছিলো পৃথিবীতে ফুটবল-আকৃতির বৃহত্তম বস্তু। তবে অস্ট্রিয়ার পরীক্ষাগারের বাকিবলগুলো ছিলো ক্ষুদ্রতম। যে প্রতিবন্ধকের দিকে বিজ্ঞানিরা তাদের লক্ষ্য তাক করেছিলেন সেটির গায়ে দুটো চিড় (Slit) ছিলো এবং সেগুলোর মধ্য দিয়ে বাকিবলগুলো পার হতে পারতো। চিড় পেরিয়ে আসা অণুগুলোকে সনাক্ত ও গণনা করতে প্রতিবন্ধক-দেয়ালের পিছনে বিজ্ঞানিরা পর্দার মতো একটি বস্তু স্থাপন করেছিলেন।

Friday, May 20, 2011

অনুবাদ: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিঙের The Grand Design - ৩

তৃতীয় অধ্যায়: বাস্তবতা কী? (What Is Reality)

কয়েক বছর আগে ইতালির মনজার পৌরপরিষদ গোলাকার পাত্রে গোল্ডফিশ রাখার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এই সিদ্ধান্ত যারা সমর্থন করেছিলো তাদের যুক্তি ছিলো যে গোলাকার পাত্রে গোল্ডফিশকে রাখা হলে সেটি বাস্তবতার এক ধরণের বিকৃতরূপ দেখে। কিন্তু আমরা কীভাবে জানি যে আমরা যে বাস্তবতা চাক্ষুষ করি সেটিই সত্য এবং অবিকৃত বাস্তবতা? এমন-ও তো হতে পারে যে আমরা নিজেরাই একটি বিশাল গোল্ডফিশের পাত্রের ভেতরে আছি এবং আমাদের দৃষ্টি বড়সড় কোনো লেন্সের কারণে বিকৃত হচ্ছে। গোল্ডফিশের চাক্ষুষ করা বাস্তবতা আমাদের বাস্তবতা থেকে ভিন্ন, কিন্তু আমরা কি নিশ্চিত বলতে পারবো যে সেটি আমাদের চাইতে কম বাস্তব?

অনুবাদ: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিঙের The Grand Design - ২

অধ্যায় ২: সূত্রের নিয়মনীতি (The Rule of Law)

Skoll the wolf who shall scare the Moon
Till he flies to the Wood-of-Woe:
Hati the wolf, Hridvitnir’s kin,
Who shall pursue the sun.
-“GRIMNISMAL,” The Elder Edda

ভাইকিং পুরাণের একটি প্রচলিত উপকথা হলো যে স্কল এবং হেইতি নামক দুটি নেকড়ে সূর্য এবং চাঁদকে তাড়া করে বেড়ায়। যখন এই নেকড়েগুলো যে কোনো একটিকে ধরে ফেলে তখনই সূর্যগ্রহণ অথবা চন্দ্রগ্রহণ হয়। এবং তখন পৃথিবীর মানুষ চন্দ্র সূর্যকে পুনরুদ্ধার করার জন্য খুব জোরে হৈচৈ করতে থাকে যাতে নেকড়ে দুটো ভয়ে পালিয়ে যায়। অন্যান্য সংস্কৃতিতেও এই রকম পৌরাণিক কাহিনি রয়েছে। কিন্তু একসময় মানুষ খেয়াল করতে শুরু করে যে তারা যতোই হৈচৈ করুক বা না করুক, চাঁদ কিংবা সূর্য ঠিকই গ্রহণ কাটিয়ে ওঠে। এবং মানুষজন পরে এটিও খেয়াল করলো যে এইসব গ্রহণ এলোমেলো ভাবে ঘটে না, বরং নিয়মিত এবং পুনরাবৃত্ত ধারায় ঘটে। চন্দ্রগ্রহণের এই ধারাটা পর্যবেক্ষণ করা এতোই সহজসাধ্য যে প্রাচীন ব্যাবিলনিয়ানরা চন্দ্রগ্রহণের প্রায় নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারতো, যদিও তারা জানতো না যে চন্দ্রগ্রহণ ঘটে পৃথিবীর মাঝখানে এসে পড়ার কারণে সূর্যের আলো আটকে যাওয়ার ফলে। তুলনামূলকভাবে সূর্যগ্রহণের সময়কাল নির্ণয় করা কঠিন ছিলো, কারণ সূর্যগ্রহণ পৃথিবীপৃষ্ঠের শুধুমাত্র ৩০ মাইল চওড়া এলাকা থেকে দেখা যায়। তবুও গ্রহণের এই পুনরাবৃত্ত ধারাটি একবার বুঝে ফেললে এটি স্পষ্ট বোঝা যায় যে গ্রহণ কোনো অতিপ্রাকৃতিক সত্তার খামখেয়ালির উপর নির্ভর করে না, বরং নির্দিষ্ট সূত্র মেনে চলে।

অনুবাদ: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিঙের The Grand Design - ১

মূল বই: The Grand Design (মহিমান্বিত নকশা)
মূল লেখক: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিং
=============================

প্রথম অধ্যায়: অস্তিত্বরহস্য (The Mystery of Being)
================================

আমাদের প্রত্যেকেই খুব অল্প সময়ের জন্য বেঁচে থাকি, এবং এই স্বল্প সময়ের মাঝে এই সমগ্র মহাবিশ্বের অল্প অংশই আমাদের পক্ষে দেখা বা অনুসন্ধান করা সম্ভব হয়ে ওঠে। কিন্তু মানব প্রজাতি খুবই কৌতূহলী। আমরা বিস্মিত হই, আমরা উত্তর খুঁজি। এই কোমল-কঠোর পৃথিবীতে বেঁচে থেকে এবং উপরের সুবিশালতার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে মানুষ বরাবরই নানা রকমের প্রশ্ন করে গেছে: আমরা যে পৃথিবীতে বেঁচে আছি সেটাকে কীভাবে বোঝা যাবে? এই মহাবিশ্বের মতিগতিই বা কেমন? বাস্তবতার প্রকৃতি কেমন? সবকিছু কোথায় থেকে এলো? মহাবিশ্ব সৃষ্টিতে কি কোনো সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন ছিলো? আমরা সকলেই এইসব প্রশ্নাবলি নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তা করি না, তবে প্রায় প্রত্যেকই কখনো না কখনো এইসব নিয়ে মাথা ঘামাই।

বাড়ি ফেরা

যাই পেরিয়ে এই যে সবুজ বন
যাই পেরিয়ে ব্যস্ত নদী, অশ্রু আয়োজন
যাই পেরিয়ে সকাল দুপুর রাত
যাই পেরিয়ে নিজের ছায়া, বাড়িয়ে দেয়া হাত
--------বাড়ি ফেরা/প্রজ্ঞা নাসরিন
সংগীতায়োজন: সঞ্জীব চৌধুরী


শঙ্খজীবন

শঙ্খজীবন
======
আঘাত করো ততো, এখন কতো সহজে হৃদপদ্মের পাশে
রোদ পোহায়ে চলে ব্যথার কুমির
নীলাভ সূর্যের যতো আলোকতৃষ্ণা সব বড্ড বেশি একপেশে
সুরের ভেতরে কোন রঙ জাগে অস্থির

ঘুরে ফিরে সমুদ্রের কাছে বলি

ঈশ্বর নামের অমানুষ

একটি বাতাস চুষে নিয়ে বুকে করি বর্তমান ক্ষয়
একটি বাতাস তার এলো চুলে দুপুরের অবক্ষয়
পাললিক পাহাড়ের আস্তিনে হেঁটেছি, ছুঁয়েছি পাথরের মাংস
আমাদের প্রকৃত সময় আমরা এখনো যা দেখি নি তার তৃষ্ণা!

নিশ্চিত স্বর্গের দরজার সামনে কচি গাবের রঙ কেমন
সেই মনে করতে করতে ক্ষয় করবে প্রচুর সময় যারা-
আমি তাদের একজন থাকবো!
(যদি স্বর্গ বলে কিছু থাকে)


নীরবতা ভেঙে গেলে

নীরবতা ভেঙে গেলে
বৈশাখের এই অবিন্যস্ত মধ্যদুপুরে ঝিলিক মেরে ওঠে রোদউদভ্রান্তি,
কিছু হাওয়া চূর্ণ করে বুকপকেটে জমে যায় নীলতিমিদের সমুদ্রপ্রথা;
ধূসর পাহাড়যাত্রীদের তীর্থঅনুভব।

কী নিয়ে মাতামাতি...

13 Reasons Why (1) ADHD (1) Alzheimer's disease (1) Antibiotic Resistance (1) Anxiety (1) Autism (1) Brexit (1) Brief Answers to the Big Questions (10) Britain (1) Bruce Peninsula (1) Cades Cove Scenic Drive (1) Canada (2) Clingsman Dome (1) District 9 (1) Dopamine (1) Dyer's Bay (1) Federico Garcia Lorca (1) Fierté Montréal (2) Gaspé & Percé Rock (1) Global Warming (2) Great Smoky Mountains (2) Heatwave (1) Hemianopia (1) infographics (1) Instagram (104) International Balloon Festival (1) Interstate 77 (1) Lift (1) Links (1) Maple syrup boiling down (1) Maple syrup harvesting (1) Marconi Union (1) Mike Krath (1) Montmorency Falls (2) Montreal International Jazz Festival (1) Montreal Pride Parade (2) Mother Teresa (1) Movies (1) Music (2) Netflix (1) Niagara Falls (3) Nickelback (1) Nirvana (1) North Carolina (1) Photography (2) Photos (104) Poets of the Fall (2) Psychology (1) Rape (1) Reading List (1) Saint-Remi (1) Samuel de Champlain Bridge (1) Sandra Crook (1) Schizophrenia (1) Sci-Fi (1) Sci-Hub (1) Shortest Sci-Fi (1) Smoky Mountains (1) Stephen Hawking (15) Sunshine 2007 (1) Tennessee (1) The Beatles (1) The Danish Girl (1) The Grand Design (8) Tobermory (1) Toronto (2) Transexualism (1) Tyrannosaurus rex (1) Wallingford Back Mine – Mulgrave et Derry (1) West Island (1) Womenchapter (1) অটিজম (3) অটোয়া (1) অণুগল্প (7) অনুবাদ (16) অভিগীতি (12) অভিলিপি (9) অর্থনীতি (2) অ্যালকোহল (1) আইন ও বিচারব্যবস্থা (1) আইসিস (2) আচরণগত স্নায়ুবিজ্ঞান (1) আত্মহত্যা (2) আলঝেইমারের রোগ (2) আলোকচিত্র (6) আলোকবাজি (9) ইচ্ছেকথা (3) ইন্সটাগ্রাম (104) উইমেন-চ্যাপ্টার (1) উদ্বেগ (1) উবার (1) একুশে বইমেলা (1) এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধ (1) এম-তত্ত্ব (5) কবিতা (95) কম্পিউটার বিজ্ঞান (1) কলাম (5) কানাডা (4) কাব্যালোচনা (2) কাসেম বিন আবুবাকার (1) কিশোরতোষ (1) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (1) কৃষ্ণগহ্বর (1) ক্রসফায়ার (1) ক্লোনিং (1) গণতন্ত্র (1) গবেষণা (1) গবেষণাপত্র (1) গর্ভপাত (1) গল্প (8) গাঁজা (1) গান (16) গুজব (1) গ্যাব্রিয়েলা মিস্ট্রাল (1) চলচ্চিত্র (4) ছড়া (5) ছবি (104) ছোটগল্প (5) জঙ্গিবাদ (1) জনস্বাস্থ্য (1) জিকা ভাইরাস (1) জীববিজ্ঞান (1) জীবাণু (1) ট্রান্সসেক্সুয়াল (1) ট্রান্সসেক্সুয়ালিজম (1) ডাইনোসর (1) ডাউনলোড (1) ডোপামিন (1) তাপমাত্রা (1) তিল-গপ্পো (17) তুষার দত্ত (2) তেজস্ক্রিয়তা চিকিৎসা (1) দূরবীন (2) দৃষ্টিশক্তি (1) ধর্ম (3) ধর্ষণ (2) নায়াগ্রা ফলস জলপ্রপাত (1) নারী (3) নারী স্বাধীনতা (1) নৈতিকতা (1) পরিবেশ (1) পাঁচমিশালী (1) পাঠসূচি (1) পাহাড় (1) পুস্তক (1) পেডোফিলিয়া (1) প্রকৃতি (1) প্রবন্ধ (2) প্রবাস (2) প্রাইমেট (1) ফটোগ্রাফী (1) ফেসবুক (1) ফ্রান্স (1) বই (2) বড় প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর (10) বয়ঃসন্ধি (1) বর্ণবাদ (1) বাঙলাদেশ (18) বাবা (1) বাংলাদেশ (1) বিজ্ঞপ্তি (1) বিজ্ঞান (13) বিটলস (1) বিষণ্নতা (3) বুরকিনি (1) বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি (7) বৈশ্বিক উষ্ণতা (1) ব্যক্তিত্ব (1) ব্যথা (1) ভাইটামিন ডি (1) ভাইরাস (1) ভালোবাসা (1) ভুয়া খবর (1) ভ্রমণ (3) মনস্তত্ত্ব (1) মনোবিজ্ঞান (18) মন্ট্রিয়াল (1) মন্ট্রিয়াল আন্তর্জাতিক জ্যাজ উৎসব (2) মস্তিষ্ক ক্যান্সার (1) মহিমান্বিত নকশা (3) মাদক (1) মাদকাসত্তি (2) মাদার তেরেসা (1) মানসিক স্বাস্থ্য (4) মুক্তগদ্য (3) মুক্তচিন্তা (3) মুক্তিযুদ্ধ (3) মৌলবাদ (1) যাপিত জীবন (2) যুগান্তর পত্রিকা (1) যৌনতা (1) রাজনীতি (1) রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প (3) রূপান্তরকাম (1) রৌদ্রস্নান (1) লিওনার্ড ম্লোডিনো (5) লিংক (2) লিঙ্গরূপান্তর (1) লিঙ্গরূপান্তরকারী (1) লিথিয়াম (1) লিফট (1) শিক্ষাব্যবস্থা (1) শিশুতোষ (3) সংগীত (3) সন্ত্রাসবাদ (1) সংবাদমাধ্যম (1) সময়ভ্রমণ (1) সমালোচনা (1) সর্দিগর্মি (1) সানশাইন (1) সাম্প্রতিক দেখা চলচ্চিত্র (1) সাহিত্য (4) স্কিৎসোফ্রেনিয়া (1) স্টিফেন হকিং (16) স্ট্রোক (1) স্নায়ুবিজ্ঞান (10) স্নায়ুবিষ (1) স্বাস্থ্যসেবা (1) হলুদ (1)
রোদের অসুখ © 2008 Por *Templates para Você*