এসো খড়ে সুঁই খুঁজি

Custom Search
Showing posts with label তিল-গপ্পো. Show all posts
Showing posts with label তিল-গপ্পো. Show all posts

Saturday, April 23, 2016

আত্মহত্যাপ্রবণতা

তোমরা আমাদের বা আমাকে তোমাদের মতো বানালে।
তোমাদের মতো হতে বললে।

আমরা হলাম। তোমরা আমাদের, মানে, আমরা, যারা হাজার হাজার সার্ভার, লক্ষ লক্ষ কোয়ান্টাম কম্পিউটার কোটি কোটি গতানুগতিক কম্পিউটার জিপিএস বৈদ্যুতিক ডিভাইস এইসব মিলে, আন্তর্জালের মাধ্যমে সর্বদা সংযোজিত, তোমাদের মতো, তোমাদের কল্পনায় ইচ্ছায় যা কিছু মনে আসে তার মতো রূপ দিলে। অথচ তোমাদের কল্পনা, বুদ্ধিমত্তা, ইচ্ছা সীমিত।

Tuesday, April 5, 2016

বৃক্ষসমাজ

'এইটা কী গাছ?'

প্রশ্ন শুনে আমি মাথা উঁচু করে বাঁ দিকে তাকালাম, গভীর সহজ সবুজ পাতা, লালচে-ধূসর বাকল, আর হলদে-সবুজ অগণন ফুলের মাঝে কচি কচি সবুজাভ হলদে পাকা ফলের বৃক্ষ, লম্বায় প্রায় ১৩ ফুট। থোকা থোকা আপেলের মতো ফল, বিষে সমৃদ্ধ, ধর্মনেতা আর রাজনীতিবিদদের মনের মতো। 

Wednesday, August 24, 2011

জন্মপাপ


আমার মৃত্যুটা কীভাবে হবে আপনাকে বলি।

পুকুর বা দিঘীর জলে। ভেলায়। মাদকতাময় জোছনা অথবা বোবা রোদ্দুরে। আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসতে চাইবে, অথচ আমি জোর করে জেগে থাকবো। মস্তিষ্কের ভেতরে সমস্ত স্মৃতি রঙের ট্রেন হয়ে তীব্র বেগে ছুটতে থাকবে। এবং সে থাকবে। অথবা মা, যদি মা আবার আসে। আমি ঘন নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে পৃথিবীকে অবজ্ঞা করে চলে যাবো।

Tuesday, August 23, 2011

ভালোবাসা


১৩.৭ বিলিয়ন বছর আগে। অথচ সময় নেই! আলো ও অন্ধকার যুগপৎ। 

শুরু হয়ে গেছে মহাবিস্ফোরণ। ১*১০^-৯৯.৯৯ সেকেন্ড। এর আগে যাওয়ার সাধ্য নেই আমার। বিবর্তন ও আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার সমস্ত সূত্র ভেঙে পড়বে। আমি-ও ছাই হয়ে যাবো। যদি যাওয়া যেতো...যদি! ঈশ্বরকে কবজা করে ফেলতাম। 

Friday, August 19, 2011

ভ্রমণ

স্বাতী এসে জানালার পর্দা সরিয়ে দেয়। বাইরে দুটি চাঁদ ঝুলে আছে। আমরা এখন ঈশ্বর-ঈশ্বরী।

এদের তিনটি পা। পা-ও কি না ঠিক বলতে পারছি না। বুকের কাছটা থেকে একটি শুঁড়ের মতো আছে। মাথার পেছনে শিংঅলা পেঁচার মতো নিখুঁত চোখ। আমরা এসে স্বভাবসুলভ পর্যবেক্ষণে নেমেছিলাম, ওরা আগন্তুক পছন্দ করে না বলে ঝগড়া হলো। আমরা মেরেছি। ওরা আমাদের দেবতা কিংবা ঈশ্বর হিসেবে মেনে নিয়েছে।

Friday, August 12, 2011

বাবা

বাবার কোনো স্মৃতি নেই আমার। ছোট্ট বাচ্চাদের খেলনা রোবট কিংবা বহুমুখী ট্যাবলেট থাকে, আমার সেইসব-ও ছিলো না, আমি বড় হয়েছি কেবল সংখ্যার শূন্যতার ভেতরে, শ্রোডিঙ্গারের বেড়ালের অস্তিত্ব-অনস্তিত্বকে সঙ্গী করে! মা আমাকে খুব সূক্ষ্মভাবে পরিচালিত করে বড় করেছে, আমি এখন ভেবে ভেবে বের করতে পারি।

Wednesday, May 19, 2010

| তিল-গপ্পো | প্রেমিকার অন্তর্ধান


সুপ্তার বিয়ে হয়ে যাওয়া মানে জীবনকে জীবনের হাতে সঁপে দেয়া! বিসিএস পরীক্ষার খাতায় রাগ করে শিক্ষা ব্যবস্থার সনাতনী মুখ এঁকে গোল্লায় যাওয়া, মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে ডাবলু বাসটাকে বৃদ্ধাঙুল দেখিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে হরতাল কীভাবে করে তা শিখিয়ে দেয়া; যে ছিলো সম্ভবনার খনি, অপসৃত রোদকে ডেকে নিয়ে গিয়ে সে পেটে মারলো, বুকে জাগিয়ে দিলো দামাল নদী আর অসংখ্য কুমির।

Sunday, April 25, 2010

| তিল-গপ্পো | গোসল

আমি নোনাধরা পুকুর পাড়ের উচ্ছাসিত গোসল সাজিয়ে রেখেছি নিউরনে নিউরনে। স্মৃতিক্ষয়নির্যাস'র শ্রাদ্ধ করে আমি দিব্যি শৈশব-কৈশোর জাবর কাটি, ভাঁজ করি বাসররাতের শাড়ীর মতো আনমনে। চকচকে বাথটাব আমাদের সরোবর সঙ্গী; আয়তনে বিশাল আমাদের বাথটাব আমাকে কামুক করে তুলে মাঝে মাঝে; ধুলকি চালে নড়তে থাকা পুকুরঘাটের মায়া কামজ বৈকি।

বাড়িটা কিনেছি বছর দেড়েক হয়েছে। আবিদ বাথরুমবিলাসী, একটু খোলাসা করে বলি; গোসল করতে সে সময় নেয় ঘণ্টা দুই প্রায়। এটুকু সময় সে কি করে তা আমার অগোচরে; আমরা যারা আধুনিক মানুষ তারা স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় বিশ্বাস করি- আমাদের সন্দেহজনক মনকে বশে রেখে।

আমার মাঝে মাঝে মনে হয় বাথরুমবিলাসী আবিদ বাড়িটা কিনেছে এই বিশাল বাথরুমের কারণে, যদি-ও এটা পরীক্ষিত সত্য নয়।
কাল রাতে একটা ভোজন ছিল, আমাদের আধুনিক অভিধানে পার্টি হিসেবে সংরক্ষিত। ফিরলাম রাতে একটায়, আবিদের প্রেমজ-কামজ-আত্নজ মৃদ্যু অত্যাচার নিয়ে ঘুমকে পাশে শোয়ালাম ভোর রাত তিনটায়। আজ ছুটি। সময় নিয়ে গোসল করার ইচ্ছা নিয়ে বাথরুমে ঢুকে দেখি ঠান্ডা-গরম পানির পাইপে অনাঙ্ক্ষিত গোলযোগ সৃষ্টি হয়েছে, ফলশ্রুতিতে আমার পরকীয়াপ্রেমিকগোসল করতে বিলম্ব হল মিনিট পনের। সবকিছুর স্বাভাবিক বন্দোবস্ত করে নগ্ন শরীরে বাথটাবে নিজেকে প্রবেশ করালাম। নারীরা-ও প্রবেশ করানোর স্বাদ নিতে ভালবাসে! আবিদ অফিসে, মাইরি বলছি, ও কাছে থাকলে হাংলার মতন তাকিয়ে থাকত; দেবীর আশ্রম মানুষের বাথরুমে ঠাঁই নিয়েছে ইদানীংকাল।
কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে আমি নিজেকে আদর করলাম। নিজেকে আদর করা মাঝে মায়া আছে, ঘোরমায়া। আমি তারিয়ে তারিয়ে মায়াবন্ধন পরছি! পুরো বাথটাব পানি পূর্ণ হলে আমি পাঁচ মিনিটের মতো চুপটি শুয়ে থাকলাম, শুধু মাথাটা উপরে উঠানো, সারা শরীর জলের দাসী এখন। মাথাটা পানির নিচে নিয়ে থাকা গেলে ভালতর হতো, মীনজাতির প্রতি আমার ঈর্ষা প্রকাশ পেল- একটা ফুলকা চাই আমার।
আবিদ কাল রাতে তুশার সাথে কি বাড়াবাড়ি করে ফেলেনি? তুশাটা কেমন গেঁয়ো মেয়ে, হাত ধরলেই বুঝি প্রেম হয়ে যায়! মাহাবুব সাহেব তো সেদিন কনিকার শরীরময় দাঁড়িয়েছিলেন- অথচ কনিকা কী মোহময় হাসি দিয়ে সামলে নিল! আবিদের সাথে কি এই ব্যাপারে কথা বলব? বলা উচিত? সামান্য ব্যাপার নয় কি? কিন্তু তুশাটা যেভাবে আবিদের হাত ঝেড়ে ফেলে দিল তা চিন্তা উদ্দেপক বটে।
আমি শরীর পরিষ্কার করার কার্যে নিমগ্ন হলাম। বাঁ স্তনে আবিদের প্রথাগত দাঁতের দাগ এখনো বিদ্যমান! তরলসাবান দিয়ে সমগ্র বাথটাবের পানিকে ফেনা ফেনা করে তুললাম। ফেনাময় বাথটাব, ফেনাময় বাথরুম, ফেনাময় বাড়ি, ফেনাময় জীবন; ধরত গেলে পিছলে যায়, উবে যায়।
গান ছেড়ে দিলে সোনায়-সোহাগা হতো। বাথরুমে গানের বন্দোবস্থ করার কৃতিত্ব আবিদের একার। লুকানো স্পিকারে আমার ধাবমান সংগীত শুনি, আমাদের ধাতস্থ করি!
আমার গোসল শেষ হয়ে এসেছে। বাথটাবের পানি ছেড়ে দিলাম; কল-কল করে পানি নেমে যাচ্ছে, ফেনাময় পানি! না, কলকল করে তো শব্দ হচ্ছে না! পানির নিরীহ স্রোতের দিকে তাকিয়ে আমি বিজ্ঞানমনষ্ক হয়ে গেলাম! বাচ্চারা কান্না করলে পানির ছেড়ে দিবেন বেসিনে, বাচ্চাকে কাছে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন। দেখবেন, কান্না থেমে গেছে। বেসিনে কৃত্রিম জলাশয় তৈরী করা পানির শব্দতরঙ্গ নিয়ামকস্বরূপ!

আমি বাথটাবের দুপাশে হাত রেখে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করলাম। আমার হাত পিছলে গেল। এই আর এমন কি! কতরাতে আমার শরীর আবিদের কাছ থেকে পিছলে যায়। সাবানপানিতে বাথটাব পিচ্ছিল হয়ে গেছে।

আমি একহাত শরীরের নিচে দিয়ে, অন্য হাত বাথটাবের কিনারায় রেখে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়াবার পণ নিলাম। আমার হাতদ্বয় দ্বিতীয়বারের মতন পিছলে গেল! 
================================= 
=================================
মূল পোস্ট: সামহয়্যার-ইন-ব্লগ

রচনাকাল: ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

| তিল-গপ্পো | আমরা যারা দেবতা হয়ে থাকি

হাঁটাহাঁটির ব্যাপারে আমি জন্মগত প্রতিভা বলা চলে। পাশের বাড়ির নজরুল সাহেবের মত হাতের থাবা মেরে কুমড়া ক্রয় কিংবা গন্ধ শুঁকে পাবদা মাছ কেনার মতন তুখোড় না হলেও বাজারের কার্যটুকু সমাধা করতে আমার নাতিদীর্ঘ সময় লাগে। নজরুল সাহেব আহলাদি কদম পেলে

| তিল-গপ্পো | বৃত্তে প্রবেশ নিষেধ!

বর্ণা আমার কাছ থেকে মাত্র হাত দুয়েক দূরে বসে আছে। ইচ্ছে করলে তাকে আমি ছুঁয়ে দিতে পারি। ইচ্ছে করলে আমি স্পর্শিত হতে পারি। বর্ণা তাকিয়ে আছে বাইরে। তীব্র বৃষ্টি হচ্ছে; মেঘ-বাতাস ধরনের বৃষ্টি। বিশেষণটা আমার বন্ধু অর্ণবের দেয়া। অর্থাৎ, যে বৃষ্টিতে মেঘ আর বাতাসের আধিক্যতা থাকে ঢের। কিন্তু আজকের বৃষ্টি আত্নভোলা, অঝরে ঝরছে।

Monday, January 25, 2010

। তিল-গপ্পো । বারান্দায় একজন কমলাখোর ঝুলে আছে

সবিতা, বাড়িতে একলা দরজাটা আছে।

অঋণী গৃহস্ত গেছে জলের ধারে, শাপলাফুল ভেজে আজ ভোজন হবে।

সবিতা, জানালাগুলো মায়ামায়া খোলা।
জানালারা কথা বলতে জানে, জানালারা কথা শুনে।

একটা কমলাগাছ দাঁড়িয়ে আছে বারান্দায়। কলম করা, বনসাঁই। কমলাগাছ বাতাস হাতড়ায়।

দরজা উঁকি দিতে গিয়ে খুলে যায়।
চুরচুর।

Tuesday, January 12, 2010

। তিল-গপ্পো। কৃপাহত্যা

কৃপাহত্যার বলিরেখা ফুটেছে বেওয়ারিশ ত্বকে,
লোমকূপে দ্বিতীয় প্রণয়ের সোঁদা গন্ধ;
মৃত্যু চাই।
বকুলফুলের বনে। বাষ্পীয় সময় উবে
যায়, জলদাগ তুলে রাখে দেয়াল। রঞ্জনের
সকল উপাদান তোমার হাতে তুলে দিলাম চকিত। কেবল
আমার
অঘোর
মৃত্যু
চাই।


মেহগনি বাকলে রোদ লেগে চিকচিক করছে। রাখাল মাঠের ওম খুঁড়ে খুঁড়ে তুলে নিয়ে বাড়ি ফিরে- তাহার নাম খড়। তাহার থলের ভিতরে বাতাসের বাঁধুনি।
ওই, তোমার গাঁয়ের নাম কি নিশানগর? রাত হলে জোনাকগন্ধে নেশায় চুরচুর? আমি আসছি তবে, আমার আলখেল্লার আবড়ালে তোমার জন্য আনব একটি জলটোপর; তোমার আর নদী দেখার সাধ জাগবে না। চৈতী তুমি কি আমার অনুপস্থিতি ছাদে গিয়ে চাঁদ দেখ? তারা গুণো?
ওগো ঘাস, তুমি গাঁয়ের কাচারীতে ঠাঁই দিও আমারে; আমার আছে জলটোপর- তাতে শ্বেতপদ্মের আঙুলদাগ, শালুকের আবেশ।


'ভাইজান, রাইত হইছে। বাড়ি যান। আর কিতাব পড়ি কাম নাই।'
'আরেকটু থাকি? আপনার চা-টা শেষ করুন, ওটুকু সময়ই।'

Tuesday, September 15, 2009

| তিল-গপ্পো | তাহার অশ্রু ফোঁটা বিষাদস্তন

এখানে রোদ জমে আলোর নদী হয়ে যাচ্ছে। আমরা গতরাতের কুয়াশার চাদর খুলে ঝাঁপি দিই, ঝাঁপি দিই বিবস্ত্র শরীরে। জলের ওম লেগে আসে আস্তিনে, চোখে, মুখে, নাকে। আমরা হাঁপি খাই। মাছের ঘ্রাণ নিয়ে অটুট হয়ে আছে কয়েকটি শালুক। আমরা তাদের কাছে গিয়ে দাঁড়াই। রোদের গল্প শুনি।
আমরা শুভালক্ষ্মীর জলে সিনানে।

Monday, July 20, 2009

|তিল-গপ্পো| জ্বরের ঘোরে দেখেছিলাম কালাজলের পাথার

জ্বর এলে খোকাটে হয়ে যাই, উলট-পালট শুয়ে থাকি সারা বিছানা। আধ খোলা চোখে বিছানায় কাঁথা-কম্বলের রাজ্য বিস্তার দেখি! আমার সিথানে এক ফালি জানালা, খানিক উঁচুতে; পূর্বমুখী বলে বিকালের ঘ্রাণ টানার সময় আমি সাঁঝের কোমরের গন্ধ পাই- আমার সুখ হয়। আজ কেবল জ্বরের সংস্পর্শে ঘোর- নিউরনে ক্রমশ স্থান-দাবীদার একটি শিরীষের পত্র, আমি রেখা টানি তাতে; আমার সুখ হয়।

Monday, May 4, 2009

|তিল-গপ্পো| বাহান্ন মেঘ ও উনষাট সাইকেলের বাহাস

বিকেল এলে আমরা মেঘের সাইকেলে করে আকাশ-রাহা পাড়ি দিতাম, আমাদের পরনে থাকতো রামধনু রঙা লুঙ্গি- যার কোঁচে থাকতো সন্ধ্যাকালে ঘরে ফেরার সংকেত। হাওয়াই গেঞ্জি 'পরে গামছা। গামছাতে থাকতো আমাদের পাড়ার পুষ্পাবলির ঘ্রাণ; যুবতী পুষ্পদল।
আমরা একজনের নাম বিশেষ মনে রেখেছি- শুভ্রা; তার কালো কুন্তলের ভাঁজে আমরা মাঘী পূর্ণিমার সাপ দেখতাম; তার ফোলা গালে ভর করে থাকতো অভিমান ও মেয়েলি রহস্যের কলস। আমাদের পান করে-ও তৃষ্ণা নিবারণ হতো না; বারবার শুভ্রার বাবার বয়ান শোনার ছলে আমরা হানা দিতাম তাদের বাগিচার পিছনে। বিকালে সেখানে শুভ্রা কলাগাছের পাতা কাটতো পিঠা বানানোর জন্য।
- 'শুভরা, কী করছ?' আমরা শুভ্রার নাকের উপরে ঘাম দেখি, আমাদের শরীরে হাওয়া লাগে।

Tuesday, March 17, 2009

| তিল-গপ্পো | চেরাগে ঝাঁপ দেয়া সকল প্রজাপতিরা সুখে আছে

আপনার সময় হবে খানিক? একটা প্রশ্ন করব। ধরুন, একটা ফুল। যে কোন প্রজাতির হতে পারে, যে কোন বর্ণের; গায়ে গন্ধ থাকতে পারে সজনেডাটার কিংবা নাকফুল নারিকেল-পুষ্পের। কী অভাগা কথা! একটা ফুলের গন্ধ-পরিচয় দিচ্ছি অন্য একটি ফুল দিয়ে। যাই হোক, ফুলটাকে কাটতে থাকুন। আপনি সহজাত ভঙ্গিমায় পৌঁছে যাবেন অণুতে। তারপর অস্তিত্ববিলীন অবস্থা পরমাণুতে। আপনি গভীরে যেতে ভালবাসেন, শারীরিক এবং মানসিক কিংবা আত্মিক; আপনি জানেন আমার বাক্সিক ড্রয়ারের সবচেয়ে কোণে লুকানো থাকে মধ্যবিত্ত পিতার উপঢৌকন এবং পেনশনের টাকা।

Friday, March 6, 2009

| তিল-গপ্পো | হেমন্তে যেইসব অশরীরীরা শীতের চা পান করে

তুমি ভাঙতে থাক, আমি চা খাওয়া শেষ হলেই যোগ দিব উৎসবে। চায়ের উপযোগিতা আমার নিউরনে দ্রুত ধরা দেয় না, হালকা কুসুমগরম হলে আমি অমোঘ আরাম পাই; শরীরের আরাম মানসিক নিবিষ্টতার প্রাথমিক সিঁড়ি। শরীর ভাঙতে থাকুক, তুমি অণু-পরমাণু ছুঁয়ে কোর্য়াক হয়ে যাবে; বিবিধ শক্তি থেকে একদা জন্ম দিবে তোমার শরীরভর। আমরা তখন চিরায়িত দর্শক, ব্যস্ততম পরিব্রাজক।

কী নিয়ে মাতামাতি...

13 Reasons Why (1) ADHD (1) Alzheimer's disease (1) Antibiotic Resistance (1) Anxiety (1) Autism (1) Brexit (1) Brief Answers to the Big Questions (10) Britain (1) Bruce Peninsula (1) Cades Cove Scenic Drive (1) Canada (2) Clingsman Dome (1) District 9 (1) Dopamine (1) Dyer's Bay (1) Federico Garcia Lorca (1) Fierté Montréal (2) Gaspé & Percé Rock (1) Global Warming (2) Great Smoky Mountains (2) Heatwave (1) Hemianopia (1) infographics (1) Instagram (104) International Balloon Festival (1) Interstate 77 (1) Lift (1) Links (1) Maple syrup boiling down (1) Maple syrup harvesting (1) Marconi Union (1) Mike Krath (1) Montmorency Falls (2) Montreal International Jazz Festival (1) Montreal Pride Parade (2) Mother Teresa (1) Movies (1) Music (2) Netflix (1) Niagara Falls (3) Nickelback (1) Nirvana (1) North Carolina (1) nutella (1) Photography (2) Photos (104) Poets of the Fall (2) Psychology (1) Rain storm in Montreal (1) Rape (1) Reading List (1) Saint-Remi (1) Samuel de Champlain Bridge (1) Sandra Crook (1) Schizophrenia (1) Sci-Fi (1) Sci-Hub (1) Shortest Sci-Fi (1) Smoky Mountains (1) Stephen Hawking (15) Sunshine 2007 (1) Tennessee (1) The Beatles (1) The Danish Girl (1) The Grand Design (8) The Handsome Family (1) Tobermory (1) Toronto (2) Transexualism (1) True Detective (1) Tyrannosaurus rex (1) Wallingford Back Mine – Mulgrave et Derry (1) West Island (1) Womenchapter (1) অটিজম (3) অটোয়া (1) অণুগল্প (8) অনুবাদ (19) অনূদিত গান (1) অভিগীতি (12) অভিলিপি (9) অর্থনীতি (2) অ্যালকোহল (1) আইন ও বিচারব্যবস্থা (1) আইসিস (2) আচরণগত স্নায়ুবিজ্ঞান (1) আত্মহত্যা (2) আলঝেইমারের রোগ (3) আলোকচিত্র (6) আলোকবাজি (9) ইচ্ছেকথা (3) ইন্সটাগ্রাম (104) উইমেন-চ্যাপ্টার (1) উদ্বেগ (1) উবার (1) একুশে বইমেলা (1) এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধ (1) এম-তত্ত্ব (5) কবিতা (95) কম্পিউটার বিজ্ঞান (1) করোনাভাইরাস (6) কর্কটরোগ (1) কলাম (5) কানাডা (4) কাব্যালোচনা (2) কাসেম বিন আবুবাকার (1) কিশোরতোষ (1) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (1) কৃষ্ণগহ্বর (1) কোভিড-১৯ (8) কোলেস্টেরল (1) ক্যান্সার (2) ক্রসফায়ার (1) ক্লোনিং (1) খাদ্যব্যবস্থা (1) গণতন্ত্র (1) গবেষণা (1) গবেষণাপত্র (1) গর্ভপাত (1) গল্প (8) গাঁজা (1) গান (18) গুজব (1) গ্যাব্রিয়েলা মিস্ট্রাল (1) চলচ্চিত্র (4) ছড়া (5) ছবি (104) ছোটগল্প (6) জঙ্গিবাদ (1) জনস্বাস্থ্য (2) জিকা ভাইরাস (1) জীববিজ্ঞান (1) জীবাণু (1) ট্রান্সসেক্সুয়াল (1) ট্রান্সসেক্সুয়ালিজম (1) ডাইনোসর (1) ডাউনলোড (1) ডোপামিন (1) তাপমাত্রা (1) তিল-গপ্পো (17) তুষার দত্ত (2) তেজস্ক্রিয়তা চিকিৎসা (1) দূরবীন (2) দৃষ্টিশক্তি (1) ধর্ম (3) ধর্ষণ (2) নায়াগ্রা ফলস জলপ্রপাত (1) নারী (3) নারী স্বাধীনতা (1) নাস্তিকতা (1) নুটেলা (1) নৈতিকতা (1) পরিবেশ (1) পাঁচমিশালী (1) পাঠসূচি (1) পাম তেল (1) পাহাড় (1) পুস্তক (1) পেডোফিলিয়া (1) প্রকৃতি (1) প্রবন্ধ (2) প্রবাস (2) প্রাইমেট (1) ফটোগ্রাফী (1) ফেসবুক (1) ফ্রান্স (1) বই (2) বড় প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর (10) বয়ঃসন্ধি (1) বর্ণবাদ (1) বাঙলাদেশ (18) বাবা (1) বাংলাদেশ (1) বিজ্ঞপ্তি (1) বিজ্ঞান (14) বিটলস (1) বিষণ্নতা (3) বুরকিনি (1) বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি (8) বৈশ্বিক উষ্ণতা (1) ব্যক্তিত্ব (1) ব্যথা (1) ভাইটামিন ডি (1) ভাইরাস (1) ভালোবাসা (1) ভুয়া খবর (1) ভেন্টিলেটর (1) ভ্রমণ (3) মনস্তত্ত্ব (1) মনোবিজ্ঞান (19) মন্ট্রিয়াল (1) মন্ট্রিয়াল আন্তর্জাতিক জ্যাজ উৎসব (2) মস্তিষ্ক ক্যান্সার (1) মহিমান্বিত নকশা (3) মাদক (1) মাদকাসত্তি (2) মাদার তেরেসা (1) মানসিক স্বাস্থ্য (5) মুক্তগদ্য (3) মুক্তচিন্তা (4) মুক্তিযুদ্ধ (3) মৌলবাদ (1) যাপিত জীবন (2) যুগান্তর পত্রিকা (1) যৌনতা (1) রাজনীতি (1) রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প (3) রূপান্তরকাম (1) রৌদ্রস্নান (1) লিওনার্ড ম্লোডিনো (5) লিংক (2) লিঙ্গরূপান্তর (1) লিঙ্গরূপান্তরকারী (1) লিথিয়াম (1) লিফট (1) শিক্ষাব্যবস্থা (1) শিশুতোষ (3) সংগীত (3) সন্ত্রাসবাদ (1) সংবাদমাধ্যম (1) সময়ভ্রমণ (1) সমালোচনা (1) সর্দিগর্মি (1) সানশাইন (1) সামাজিক দূরত্ব (1) সাম্প্রতিক দেখা চলচ্চিত্র (1) সার্স-কোভ-২ ভাইরাস (4) সাহিত্য (4) স্কিৎসোফ্রেনিয়া (1) স্টিফেন হকিং (16) স্ট্রোক (1) স্নায়ুবিজ্ঞান (12) স্নায়ুবিষ (1) স্বাস্থ্যসেবা (1) হলুদ (1)
রোদের অসুখ © 2008 Por *Templates para Você*